কাশীপুরের বিজেপি যুব নেতার মৃত্যুতে তৃণমূলের সক্রিয়তাই প্রমাণ করছে কারা ঘটিয়েছে এই ঘটনা!

 

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের বাংলা সফরের মধ্যেই খোদ কলকাতায় বিজেপির যুব নেতার রহস্যজনক ভাবে মৃত্যু ঘিরে উত্তাল কাশীপুর অঞ্চল।প্রসঙ্গত আজই কলকাতায় পা রাখতে চলেছেন বিজেপির সেনাপতি শাহ। তাঁকে স্বাগত জানাতে যুব নেতা অর্জুনের নেতৃত্বেই বাইক মিছিল হওয়ার কথা ছিল বলে জানা গিয়েছে। অথচ রহস্যজনক ভাবে কাল থেকে নিখোঁজ ছিলেন তিনি। পরিত্যক্ত ইযার্ডের একটি ঘরে তাঁর ঝুলন্ত অবস্থায় থাকা দেহ পাওয়া যায়। সেই দেহ উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে আসে স্থানীয়রাই। পুলিশ সেই দেহ নিতে গেলে শুরু হয় বাগবিতণ্ডা।খবর পেয়েই অঞ্চলে জমায়েত হতে থাকে বিজেপি সমর্থকেরা । পৌঁছান সর্বভারতীয় সহ সভাপতি সাংসদ দিলীপ ঘোষও। কিন্তু সেখানে পৌঁছানোই মাত্রই জমায়েত করা তৃণমূল কর্মীরা তাঁকে দেখে গো ব্যাক স্লোগান শুরু করে। তাঁর মধ্যেই তিনি পরিবারের লোকের সঙ্গে কথা বলেন তিনি । পরিবার ও বিজেপি থেকে স্পষ্টভাবে জানানো হয় অর্জুন চৌরাসিয়ার এই মৃ্ত্যু পরিকল্পিত খুন ছাড়া কিছু নয়।

রাজ্যের অন্যান্য স্থানের মতই এখানেও তৃণমূল ছাড়া এই ঘটনা কেউ ঘটাতে পারেনা বলেই অভিমত দিলীপবাবুর। বিজেপির ২০০র বেশি কর্মকর্তাকে খুন করে এভাবেই হিংসার বীজ বপন করেছে তৃণমূল। যাতে ভয়ে কেউ বিজেপির পতাকা না ধরতে পারে । ঘটনাস্থলে পৌঁছেই তৃণমূলে নেতা অতীন ঘোষ দাবি করেন যে ওই পরিবারে মানে অর্জুনের পরিবারে আত্মহত্যার প্রবণতা আছে! পুলিশি তদন্ত ছাড়াই বারবার এই ধরনের মন্তব্য আগেও করতে শোনা গিয়েছে তৃণমূল সুপ্রিমো থেকে নেতা-নেত্রীদের। প্রশ্ন হচ্ছে দেহের ময়নাতদন্তের আগেই কীভাবে দিক নির্দেশ করে দিচ্ছেন ওই তৃণমূল নেতা? এরপর কি আদৌ পুলিশের পক্ষে নিরপেক্ষ তদন্ত সম্ভব ? না কি ময়না তদন্ত করা ডাক্তার পৃথক কোন রিপোর্ট দিতে সাহস করবেন? তার উপর স্থানীয় কাউন্সিলর তৃণমূলের নেত্রী সুমন সিং দাবি করেছেন অর্জুন চৌরাসিয়া না কি পুরসভা নির্বাচনে তাঁর হয়ে কাজ করেছেন! শাসক দলের ঝাঁপিয়ে পড়ে এই ধরনের দাবিই প্রমাণ করে যে তাঁরা কিছু ঢাকতে চাইছেন!যা কিন্চু দিনের আলোর মতই স্পষ্ট!

Leave a Comment

Your email address will not be published.

About Video Timeline Gallery Contact