এবার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ২৬৯জনের অবৈধ নিয়োগ বাতিল বিচারপতি অভিজিত গঙ্গোপাধ্যায়ের রায়ে

 

এসএসসির নিয়োগের পর সিবিআইয়ের হাতে টেট পরীক্ষার নিয়োগ আসার পরেই বিড়াল বেরোলো ঝুলি থেকে। একটা দুটো নয় আপাতত ২৬৯ জনের নিয়োগ বাতিল করল কলকাতা হাই কোর্ট। ২০১৪সালের যারা নিয়োগ পত্র হাতে পেয়েছিলেন প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করার জন্য । ২০২০সালে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ যারা ২০১৪সালে প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত টেট উত্তীর্ণ প্রার্থী তাদের থেকে আবেদন অনলাইনে দেওয়ার আবেদন জানান। সরকারী বিদ্যালয়ে কালি পদের সংখ্যা ছিল ১৬,৫০০জন। সেই শুন্য পদ ভরতে এই সকল প্রার্থীদের থেকে আবেদন চাওয়া হলেও আগে থেকেই ২০১৪সালের নিয়োগ নিয়ে মামলা দায়ের করা ছিল। সেই মামলার শুনানি বিচারপতি অভিজিত গঙ্গোপাধ্যায়ের এজলাসে হয়। তিনি সমস্ত শুনানির পর পর্যবেক্ষণে জানান যে ২০১৭সালে দ্বিতীয় তালিকায় যে ২৬৯জন চাকরি পেয়েছিল তা সম্পূর্ণরূপে অবৈধ। আর সেই সকল প্রার্থীকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করে বেতন ফিরিয়ে দেোয়ার নির্দেশ দেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় ।

 

আদালতের নির্দেশ অনুসারে সিবিআই আধিকারিকেরা সমস্ত নথি নিয়ে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের চেয়ারম্যান মানিক বন্দোপাধ্যায় ও দফতরের সচিব রত্না চক্রবর্তী বাগচীকে তলব করেন।সোমবারই তারা নিজাম প্যালেসে যান । একের পর এক তালিকা দ্বারা এখনো অবধি সাতটি জেলা থেকে অবৈধ নিয়োগের তালিকা প্রকাশ করে পর্ষদ নিজেই । তাদের চাকরি থেকে ইস্তফা দিতে হবে বলে জানানো হয় । এর পাশাপাশি অভিযোগকারীদের মতে এই চাকরির দুর্নীতি নিয়ে যে বিশাল টাকার অঙ্ক লেনদেন হয়েছে। টেট নিয়ে মামলাকারীদের আইনজীবী জানান তা নিয়ে একটি পৃথক মামলার তদন্ত করছেন এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট,যা কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশানুসারেই এগোচ্ছে।প্রসঙ্গত এর আগে ৮৬জনের নিয়োগ অবৈধ বলে আগেই তাদের চাকরি থেকে ইস্তফা দিয়ে টাকা ফেরত দিতে বলেছিল আদালত ।

Leave a Comment

Your email address will not be published.

About Video Timeline Gallery Contact