মৌলবাদী হামলাকারীদের নিশানা বিজেপি কার্যালয়,পুলিশের তোপ বিজেপি নেতাদের দিকে

নাগরিকত্ব বিল আনার সময় সংখ্যালঘু ইসলামিক সম্প্রদায় যেভাবে ক্ষেপে উঠেছিল,তা প্রত্যক্ষ করেছিল গোটা দেশ। আঁচ এসছিল বাংলাতেও।তবে বাংলার মত দেশের অন্যান্য প্রদেশে হিংসার আঁচ সরাসরি পড়েনি বিজেপি কার্যালয়ে বা কর্মীদের উপর । বাংলাতে শাসক তৃণমূলের আমলে বিজেপির দলীয় কর্মী,কার্যকর্তা এমনকি প্রথম সারির নেতাদের বিরুদ্ধে একাধিক ফৌজদারী মামলা থেকে কার্যালয় পুড়িয়ে দেওয়ার মত ঘটনা আগেও দেখেছে দেশ । সেই স্মৃতি আবার টাটকা করে দিল অঙ্কুরহাটির হিংসার ঘটনা । দেশ দেখলো পশ্চিমবঙ্গে বিরোধীর আসনে বসা মানুষের উপর কীভাবে অত্যাচার করা হয়!পুলিশের সামনে বিজেপির একের পর এক কার্যালয়ে আগুন ধরিয়ে দিল হামলাকারীরা। পাঁচলা,উলুবেড়িয়া,রঘুদেবপুরের বিজেপি কার্যালয়ে ভাঙচুর করে ,আগুন লাগানো হলেও এখনো অবধি একটিও গ্রেফতার করেনি পুলিশ। কারণ একটাই যারা আগুন লাগালো তারা তৃণমূলের দুধেল গাই।তারা হামলাকীরদের আটকাতে না পারলেও বিজেপি নেতাদের সেখানে যেতে আটকাতে বেশ তৎপর।

একের পর এক কার্যালয় ভাঙচুরের পরেও বিজেপির প্রদেশ সভাপতি ডঃ সুকান্ত মজুমদার ও বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে সেখানে যেতে আটকানো হয়। সভাপতিকে পুলিশ দিয়ে একপ্রকার হাউস অরেস্ট করিয়ে রাখা হয়। আইনি পদক্ষেপের কথা শুনে পরে যদিও তার বাড়ির সামনে ‌থেকে সরে যায় পুলিশ । কিন্তু হাওড়া যাওয়ার পথে তাকে আবারও পুলিশি বাধার মুখে পড়তে হয় এবং তাকে আটক করে রাখা হয় পাঁচ ঘন্টা। একইভাবে আটকানো হয় শুভেন্দু ‌অধিকারীকেও।এর পিছনে রয়েছে পুলিশমন্ত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রীর ইন্ধন। কারণ তিনি জনসমনক্ষে ও প্রচার মাধ্যমের সামনে বলেন,বিজেপির উস্কানিতেই এই ধরনের ঘটনা ঘটছে। তারপর থেকেই বলাইবাহুল্য তার তল্পিবাহক পুলিশ বিজেপি নেতাদের আটকাতে অধিক তৎপরতা দেখাতে শুরু করেৎ।

Leave a Comment

Your email address will not be published.

About Video Timeline Gallery Contact