রাজনৈতিক ‘নেতা’র দূতকে ফেরানোর পুরস্কার বিচারপতির এজলাস ‘বয়কট’ কলকাতা হাইকোর্টে

 

পুলিশ প্রশাসন ও বিচারব্যবস্থায় শাসক দলের হস্তক্ষেপের এর চেয়ে ভালো উদাহরণ আর কী-ই বা দেখতে পারে রাজ্যবাসী।বুধবার দিনভর যে  চিত্রনাট্য রচনা করল তৃণমূল পন্থী আইনজীবীরা তার চিত্রনাট্য যে অন্য কোথাও রচিত হয়েছে তা বলাই বাহুল্য।যে প্রশ্ন প্রকাশ্য বলতে চাইছেন উচ্চ আদালতের এই মুহুর্তের সবথেকে চর্চিত বিচারপতি,তার উত্তর সামনে চলে এলে পায়ের তলার মাটি খানিকটা হলেও টলবে এই সরকারের।

রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রীর আপ্তসহায়কের নাম বা খোদ শিক্ষামন্ত্রীর নামও জড়িয়ে যেতে পারে শিক্ষক নিয়োগের দুর্নীতির সঙ্গে, আর তাই কি বিচারপতি অভিজিত গঙ্গোপাধ্যায়ের শেষ শিক্ষক নিয়োগ সংক্রান্ত চারটি মামলায় দেওয়া সিবিআই তদন্তের নির্দেশের মামলায় স্থগিতাদেশ ডিভিশন বেঞ্চের,এমনই ইঙ্গিত করেছিলেন কলকাতা হাই কোর্টের বিচারপতি অভিজিত গঙ্গোপাধ্যায়। হস্তক্ষেপ চেয়েছিলেন কলকাতা হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতি ও শীর্ষ আদালতের। তারপরেই তাঁর এজলাসে মামলা করা যাবে না বলে রেজোলিউশন পাশ করিয়েছিলেন সংখ্যা গরিষ্ঠ তৃণমূল আইনজীবী সম্বলিত বার অ্যাসোসিয়েশন।

বুধবার সেই রেজোলিউশনকে মান্যতা দিয়ে তৃণমূল আইনজীবীরা তাঁর ঘরের সামনে পথ আটকে বসে পড়লেন। যারা মামলা করতে চাইলেন তাদের জন্য ছিল শাসক-সমর্থক আইনজীবীদের চোখরাঙানি।

সমস্যাটা তৈরি হয় যখন প্রভাবশালী এক রাজনৈতিক নেতার প্রেরিত দূতকে তিনি মামলা থেকে ওই নেতাকে না বাঁচানোর ইঙ্গিত দেন। তারপর থেকেই তাঁর দেওয়া মামলাগুলির নির্দেশের উপর বিচারপতি হরিশ ট্যান্ডনের ডিভিশন বেঞ্চ স্থগিতাদেশ দেন। রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রীর আপ্তসহায়কের নাম বা খোদ শিক্ষামন্ত্রীর নাম জড়িয়ে যেতে পারে শিক্ষক নিয়োগের দুর্নীতিতে, আর তাই কি বিচারপতি অভিজিত গঙ্গোপাধ্যায়ের শেষ শিক্ষক নিয়োগ সংক্রান্ত চারটি মামলায় দেওয়া সিবিআই তদন্তের নির্দেশের মামলায় স্থগিতাদেশ ডিভিশন বেঞ্চের,এমনই ইঙ্গিত করেছিলেন কলকাতা হাই কোর্টের বিচারপতি অভিজিত গঙ্গোপাধ্যায়। হস্তক্ষেপ চেয়েছিলেন কলকাতা হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতি ও শীর্ষ আদালতের। তারপরেই তাঁর এজলাসে মামলা করা যাবে না বলে রেজোলিউশন পাশ করিয়েছিলেন সংখ্যা গরিষ্ঠ তৃণমূল আইনজীবী সম্বলিত বার অ্যাসোসিয়েশন।

বুধবার সেই রেজোলিউশনকে মান্যতা দিয়ে তৃণমূল আইনজীবীরা তাঁর ঘরের সামনে পথ আটকে বসে পড়লেন। যারা মামলা করতে চাইলেন তাদের জন্য ছিল শাসক-সমর্থক আইনজীবীদের চোখরাঙানি।

সমস্যাটা তৈরি হয় যখন প্রভাবশালী এক রাজনৈতিক নেতার প্রেরিত দূতকে তিনি মামলা থেকে ওই নেতাকে না বাঁচানোর ইঙ্গিত দেন। তারপর থেকেই তাঁর দেওয়া মামলাগুলির নির্দেশের উপর বিচারপতি হরিশ ট্যান্ডনের ডিভিশন বেঞ্চ স্থগিতাদেশ দেন।

Leave a Comment

Your email address will not be published.

About Video Timeline Gallery Contact