রাজ্যের শিক্ষক নিয়োগের পরীক্ষায় ব্যাপক দুর্নীতি,প্রতিবাদে জুটল পুলিশের মার,হয়রানি

এসএসসি-র দুর্নীতির মাঝেই তৃণমূল আমলে টেটের প্রাথমিক নিয়োগেও দুর্নীতি নিয়ে আদালতের দৃষ্টি আকর্ষণ করলেন একদল যোগ্য চাকরিপ্রার্থী।শেষ বছর এসএসসির চাকরিপ্রার্থী অনুপ গুপ্তা,একটি মামলা দায়ের করেন। সেখআনে দেখা যায় সিদ্দিকি গাজী নামে এক প্রার্থী ২৭৫নং তালিকাভূক্ত হলেও চাকরি করছে । অথচ তালিকায় ২০০নং এ থেকেও সেখানে আবেদনকারী চাকরি পাননি বলে আদালতের দ্বারস্থ হন । এই রকম ৮টি পৃথক মামলায় আদালতে দায়ের করা হয় ।এই মামলাগুলির বক্তব্য খুব পরিষ্কার ছিল । ন্যায্য প্রার্থীদের চাকরি না দিয়ে শাসক দলের ঘনিষ্ঠদের চাকরি দেওয়া হয়েছে । এই মামলাগুলির দায়িত্ব সিবিআইয়ের উপর ন্যাস্ত করেন বিচারপতি অভিজিত গঙ্গোপাধ্যায়। আর তারপরই সিবিআইয়ের আধিকারিকদের জেরার মুখে পড়েছে প্রাক্তন শিক্ষা মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় থেকে প্রতিমন্ত্রী পরেশ অধিকারীও। জানা যায়, পরেশ অধিকারীর মেয়ে অঙ্কিতা অধিকারীকে বেআইনিভাবে নিয়োগ করা হয়েছিল । তার জেরে চাকরি খোয়াতে হয় রাতারাতি তাকে আদালতের নির্দেশে ও সঙ্গে এতদিন যাবত যা মাইনে নিয়েছেন তাও সরকারকে ফেরত দিতে নির্দেশ দেয় আদালত। এর মাঝেই এবার টেটের নিয়োগে দুর্নীতি নিয়ে সরব হলেন যোগ্য প্রার্থীরা । নবান্নের সামনে বিক্ষোভে সামিল হন তারা। প্রতিশ্রুতি দিয়েও চাকরি না পাওয়ায় তারা অবস্থান বিক্ষোভ করেন নবান্নের সামনে । সেখান থেকে পুলিশ জোর করে তুলে নিয়ে যায়। মহিলাদের হেনস্থা থেকে গ্রেফতারি সহ্য করতে হয় তাদের।
ইতিমধ্যেই ৮৬জন পরীক্ষা না দিয়েই চাকরি করছেন বলে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে ২০১৪সালের টেট পরীক্ষার ভিত্তিতে । সেই প্রার্থীদের চাকরি বৈধ নয় বলেই আদালতের দৃষ্টি আকর্ষণের মাঝেই নবান্নের ঘটনায় প্রশ্ন উঠছে আদো কি মমতা সরকার চায় এই যোগ্য প্রার্থীদের চাকরি দিতে? না কি ভোট রাজনীতির স্বীকার হয়ে এই প্রার্থীদের জীবন বরবাদ হবে এখন লাখ টাকার প্রশ্ন সেটাই ।

Leave a Comment

Your email address will not be published.

About Video Timeline Gallery Contact