দেশীয় প্রযুক্তিতে গড়া স্যাটেলাইট নেভিগেশন ‘গগন’ এড়াবে দুর্ঘটনা

উদ্যোগটা নেওয়া হয়েছিল ২০১৫সালে,যখন কেন্দ্রের আসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রী ছিলেন পশুপতি অশোক গজপতি রাজু।উদ্যোগ নেওয়া হলেও তার সফল প্রয়োগ করা হল ২৯শে এপ্রিল। দেশিয়া প্রযুক্তি ব্যবহার করে স্যাটেলাইটের মাধ্যমে বিমান থেকে ,এবার চালক তার ৮০০মিটার আগে দেখে নিতে পারবেন যে বিমান বন্দরে নামছেন তার অবস্থা। বিমানেই থাকবে স্যাটেলাইট নেভিগেশন। সেই নেভিগেশন ব্যবহার করে দৃশ্যমানতা থাকবে ৮০০মিটার পর্যন্ত। ফলে এড়ানো যাবে দুর্ঘটনা। খারাপ আবহাওয়ার জন্য বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ডিজিসিএ-র সিগন্যালিং এর উপর নির্ভর করতে হোতো চালককে।

এবার থেকে এই অপারেটিং নেভিগেশনের ফলে বিমান চালক নিজেই তা দেখে নিতে পারবেন। সফল ভাবে এই পদ্ধতি প্রয়োগ করে সর্বপ্রথম এশিয়া প্যাসেফিকের মধ্যে ভারতের প্রথম স্থান পাকা করল দেশীয় বিমান সংস্থা ইন্ডিগো। এই বিমান সংস্থার ৩৫টি বিমানকে গগন নামক এই নেভিগেশনের ব্যবহারের উপযোগী করে তুলেছে।বাকি স্পাইস জেট ২১টি,এয়ার ইন্ডিয়া ১৫টি,গো ফার্স্ট ৪টি ও এয়ার এশিয়ার একটি বিমানে এই প্রযুক্তি ব্যবহারের অনুমোদন চেয়েছে ডিজিসিএ-র নিকটে। সফলভাবে আজমেঢ়ের নিকটবর্তী বিমানবন্দর কিষাণগড়ে এয়ারক্রাফ্ট ATR72 এই প্রযুক্তি নিয়ে অবতরণ করে শুক্রবার।বিশষ এই নেভিগেশন এয়ারপোর্ট অথরিটি ইন্ডিয়া ও ইন্ডিয়ান স্পেস রিসার্চের যৌথ গবেষণার ফল।গত সপ্তাহে ডিজিসিএ কর্তৃক ছাড়পত্র মেলার পর থেকেই বিমান সংস্থা তাদের বিমানচালকদের প্রশিক্ষণ দেয়।ইন্ডিগোর ফ্লাইট অপারেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট অসীম মিত্র বিমানটিকে অবতরণ করিয়ে ইতিহাসে নিজের তথা ভারতের নাম স্বর্ণাক্ষরে লিখে রাখেন।

Leave a Comment

Your email address will not be published.

About Video Timeline Gallery Contact