কেন্দ্রের সাফল্য

অগ্নিবীর

মোদি সরকারের আরেক মাইলফলক প্রকল্পের ঘোষণা করা হল ১৪ই জুন,২০২২এ। কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং এই ঘোষণা করলেও তা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দূর দর্শিতার ফলাফল,দেশের যুবা সম্প্রদায়কে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করতে ও দেশ রক্ষায় সক্রিয় অংশ গ্রহণ করাতে ঘোষিত হল অগ্নিপথ যোজনা। এই যোজনায় অংশ নিয়ে একেক জন যুবা হয়ে উঠবেন একেক অগ্নিবীর,যারা অংশ নেবেন সশস্ত্র সেনা,নৌবাহিনী ও বায়ুসেনাতে । অবশ্যই তা বাহিনীগুলির প্রয়োজানুসারে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে সর্বমোট ৪৬হাজার যুবার কর্মসংস্থান করা যাবে,যারা চার বছর পরে ‘সেবা নিধি’ শংসাপত্র নিয়ে ওই প্রকল্প থেকে বেরিয়ে যাবেন ।তবে এরপরেও যারা আরও ৫বছর মূল ফোর্সের সঙ্গে যুক্ত হতেচাইবেন তাদের স্বচ্ছ পদ্ধতিতে মেধার ভিত্তিতে পরীক্ষা দিয়ে প্রবেশ করতে হবে । অগ্নিপথ যোজনাতেও যে নিয়োগ করা হবে তা পদ অনুযায়ী দেয় পরীক্ষার ফলাফলের উপর নির্ভর করবে। প্রতি মাসে সাম্মানিক অর্থ পাবেন এই অগ্নিবীরেরা। যা চার বছর শেষে সব মিলিয়ে বেতন পরিকাঠামো ১১.৭লক্ষ টাকা হবে । দ্রুতই নিয়োগের নোটিশ দেওয়া হবে । অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে । আর ইন্টারভিউয়ের জন্য তিন সেনার বিভিন্ন কার্যালয় ও স্বীকৃত কারিগরী প্রতিষ্ঠান গুলিতে নেওয়া হবে ।

‘অগ্নিবীর’র বয়স: নামনথিভূক্তিকরণের ক্ষেত্রে বয়সসীমা ১৭.৫ থেকে ২১বছর ।

শিক্ষাগত যোগ্যতা : ভিন্ন পদের জন্য ভিন্ন শিক্ষাগত যোগ্যতা লাগবে। যেমন সেনাদের জেনারেল ডিউটির জন্য শিক্ষাগত যোগ্যতা দশম মান প্রয়োজন(প্রাপ্ত নম্বর ৪৫%)।সোলজার টেকনিক্যালের ক্ষেত্রে দ্বাদশ শ্রেণী উত্তীর্ণ হওয়া বিজ্ঞান,পদার্থবিদ্যা ,রসায়ন ও ইংরেজি বিষয় থাকা আবশ্যিক,সোলজার ক্লার্ক ও স্টোরকিপার টেকনিক্যাল এই পদের ক্ষেত্রে যে কোন বিভাগ নিয়ে (বিজ্ঞান,কলা ও বাণিজ্য) ৫০% সব মিলিয়ে ও প্রতি বিষয়ে ন্যুনতম ৪০% নম্বর নিয়ে দ্বাদশ শ্রেণী উত্তীর্ণ হওয়া আবশ্যিক। সোলজার নার্সিং অ্যাসিস্টেন্টের ক্ষেত্রে পদার্থবিদ্যা,রসায়ন ও জীববিজ্ঞান বিষয় থাকা জরুরি। সোলজার ট্রেডার্স ম্যান জেনারেল ডিউটি ও স্পেসিফিক ডিউটির ক্ষেত্রে মাধ্যমিক বা সমতূল্য অনুত্তীর্ণ হলেও চলবে।

অন্যান্য যোগ্যতা: প্রতি ক্ষেত্রেই মেডিক্যাল পরীক্ষায় সফল হওয়া আবশ্যিক ।

বেতন পরিকাঠামো:

প্রথম বছরে ৩০হাজার টাকা,দ্বিতীয় বছরে ৩৩হাজার টাকা, তৃতীয় বছরে ৩৬হাজার ৫০০টাকা ও চতুর্থ বছরে ৪০হাজার টাকা বেতন কাঠামো ধার্য করা হয়েছে। এই টাকার মধ্যে কিছু টাকা কেটে হাতে দেওয়া হবে যার পরিমাণ ৯০০০,৯৯০০,১০৯৫০ এবং ১২০০০টাকা যার মাধ্যমে গড়ে উঠবে করপাস ফাণ্ড তাতে সরকারও প্রতি মাসে সম পরিমাণ টাকা দিয়ে মোট দেয় ১১.৭১লক্ষ টাকা করবে । এতে বাজারের সুদের হার অনুযায়ী সুদও পাবেন অগ্নিবীরেরা।

এই যোজনার ফলে দেশের তিনটি ফোর্সেই অভিজ্ঞ ও নব প্রজন্ম একসঙ্গে কাজ করার ফলে প্রযুক্তি ও অভিজ্ঞতার সঠিক মেলবন্ধন হওয়া সম্ভব। তার সঙ্গে দেশের তরুণদের মধ্যে দেশাত্মবোধ জাগ্রত করতে ও কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে এই যোজনা প্রশ্নাতীত ভূমিকা নেবে আগামী দিনে ।

দেশীয় প্রযুক্তিতে গড়া স্যাটেলাইট নেভিগেশন ‘গগন’ এড়াবে দুর্ঘটনা

উদ্যোগটা নেওয়া হয়েছিল ২০১৫সালে,যখন কেন্দ্রের আসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রী ছিলেন পশুপতি অশোক গজপতি রাজু।উদ্যোগ নেওয়া হলেও তার সফল প্রয়োগ করা হল ২৯শে এপ্রিল। দেশিয়া প্রযুক্তি ব্যবহার করে স্যাটেলাইটের মাধ্যমে বিমান থেকে ,এবার চালক তার ৮০০মিটার আগে দেখে নিতে পারবেন যে বিমান বন্দরে নামছেন তার অবস্থা। বিমানেই থাকবে স্যাটেলাইট নেভিগেশন। সেই নেভিগেশন ব্যবহার করে দৃশ্যমানতা থাকবে ৮০০মিটার পর্যন্ত। ফলে এড়ানো যাবে দুর্ঘটনা। খারাপ আবহাওয়ার জন্য বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ডিজিসিএ-র সিগন্যালিং এর উপর নির্ভর করতে হোতো চালককে।

এবার থেকে এই অপারেটিং নেভিগেশনের ফলে বিমান চালক নিজেই তা দেখে নিতে পারবেন। সফল ভাবে এই পদ্ধতি প্রয়োগ করে সর্বপ্রথম এশিয়া প্যাসেফিকের মধ্যে ভারতের প্রথম স্থান পাকা করল দেশীয় বিমান সংস্থা ইন্ডিগো। এই বিমান সংস্থার ৩৫টি বিমানকে গগন নামক এই নেভিগেশনের ব্যবহারের উপযোগী করে তুলেছে।বাকি স্পাইস জেট ২১টি,এয়ার ইন্ডিয়া ১৫টি,গো ফার্স্ট ৪টি ও এয়ার এশিয়ার একটি বিমানে এই প্রযুক্তি ব্যবহারের অনুমোদন চেয়েছে ডিজিসিএ-র নিকটে। সফলভাবে আজমেঢ়ের নিকটবর্তী বিমানবন্দর কিষাণগড়ে এয়ারক্রাফ্ট ATR72 এই প্রযুক্তি নিয়ে অবতরণ করে শুক্রবার।বিশষ এই নেভিগেশন এয়ারপোর্ট অথরিটি ইন্ডিয়া ও ইন্ডিয়ান স্পেস রিসার্চের যৌথ গবেষণার ফল।গত সপ্তাহে ডিজিসিএ কর্তৃক ছাড়পত্র মেলার পর থেকেই বিমান সংস্থা তাদের বিমানচালকদের প্রশিক্ষণ দেয়।ইন্ডিগোর ফ্লাইট অপারেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট অসীম মিত্র বিমানটিকে অবতরণ করিয়ে ইতিহাসে নিজের তথা ভারতের নাম স্বর্ণাক্ষরে লিখে রাখেন।

সেমিকনডাক্টর কনফারেন্সে ভারতের সাফল্য তুলে ধরলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

সেমি কন্ডাক্টর কনফারেন্সের উদ্বোধন হল ভারতের হাইটেক সিটি বেঙ্গালুরুতে। তার উদ্বোধনী ভাষণে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আন্তর্জাতিক মহলের কাছে তুলো ধলেন ভারতের সাফল্য । বললেন কেন বিদেশি পুঁজি লাগানো উচিত ভারতের বাজারে। যার সম্ভাব্য ছটি কারণ উল্লেখ করেন মোদি। প্রথমেই তিনি জোর দেন ডিজিটাল ইন্ডিয়ার দিকে । বলেন,ভারতের ১.৩বিলিয়ন মানুষকে ডিজিটালি জোড়ার কাজ সফল ভাবে করে চলেছে সরকার। ৫জি প্রযুক্তি ও ক্লিন এনার্জির দিকে এগোচ্ছে ভারত। দ্রুতই পরিবেশের কথা ভেবে ক্লিন এনার্জির দিকে জনগণকে চালিত করবে সরকার।UPI এর মাধ্যমে ব্যবসায়িক লেনদেন বেড়েছে কয়েক গুণ।সমবেত প্রচেষ্টাতে ভারত বিশ্ব বাজারে ভারত অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সেমি কন্ডাক্টর সরবরাহকারী চেইন হিসেবে তার স্থান আদায় করে নিয়েছে।ভারতের সমস্ত ক্ষেত্রে উন্নত,বিশ্বাসযোগ্য ও মানের প্রযুক্তির উদ্ভাবন ও প্রয়োগ করে চলেছে নিরন্তর ।সব মিলিয়ে বলা চলে ভারতে প্রযুক্তিগতভাবে এক বিপ্লব এসেছে যার জেরে হাজারো গ্রামকে ঐক্যবদ্ধ করা সম্ভব হয়েছে।যার ফলে বেড়েছে অর্থনৈতিক বৃদ্ধিও। দ্রুত স্টার্টআপ ইকো সিস্টেম গড়ে উঠেছে এদেশে।প্রতি সপ্তাহেই নতুন নতুন বিনিয়োগ প্রস্তাব আসছে।ভারতে সেমি কন্ডাক্টর ব্যবহারের মাত্রা ২০২৬সালের মধ্যে ৮০বিলিয়ন ডলারস ছোঁবে যা ২০৩০ এর মধ্যে হবে ১১০বিলিয়ন ডলার । এই সকল কারণেই ভারতের মত বাজারে সেমি কন্ডাক্টর তৈরি ও ব্যাবসার জন্য ভারত অত্যন্ত লাভজনক স্থান।

এদেশে ব্যবসার ছাড়পত্র পাওয়া সহজীকরণ করেছে বিজেপি সরকার।২৫হাজার ব্যবসায়িক ছাড়পত্র শেষ বছরে দেওয়ার পাশাপাশি লাইলেন্স পুনর্নবীকরণের প্রক্রিয়াটি অনলাইনে করে দেওয়া হয়েছে আরও সময় বাঁচানোর উদ্দেশ্যে। সর্বোপরি বিশ্বের মোট সেমিকন্ডাক্টর তৈরি করা ইঞ্জিনিয়ারদের ২৫শতাংশই ভারতের সম্পদ। ডিজিটাইজেশনের মাধ্যমে সমস্ত কাজেই এসেছে স্বচ্ছতা। তাই আগামীতে এই ক্ষেত্রে ভারতের উজ্জ্বল সম্ভাবনার কথা ভেবেই বিশ্বের নানা সেমি কন্ডাক্টর প্রস্তুতকারক সংস্থাকে ভারতে বিনিয়োগের ডাক দেন নরেন্দ্র মোদি ।

উৎপাদনের সঙ্গে সঙ্গে শিক্ষা,স্বাস্থ্য সর্বক্ষেত্রেই বাড়ছে কর্মসংস্থানের হার

কেন্দ্রীয় শ্রম দফতরের সাম্প্রতিক ২০২১-এর তৃতীয় কোয়ার্টারের রিপোর্ট অনুযায়ী দেশে কর্মসংস্থান বৃদ্ধি পাচ্ছে বেশ কিছু সেক্টরে । কোয়ার্টারলি এমপ্লয়মেন্ট সার্ভে(QES) যা অল ইন্ডিয়া কোয়ার্টারলি এসটাবলিশমেন্ট সার্ভে(AQEES) এর ইফর ভিত্তি করে বানানো তাতে ইঙ্গিত পাওয়া গিয়েছে সংগঠিত নটি সেক্টরে কর্মসংস্থান বৃদ্ধি পাচ্ছে।সেই সেক্টেরগুলির মধ্যে সর্বপ্রথম রয়েছে উৎপাদন ক্ষেত্র। এই ক্ষেত্রে কর্মসংস্থানের হার ৩৯.৪%।

এছাড়া কনস্ট্রাকশন,বাণিজ্য,পরিবহণ,শিক্ষা, স্বাস্থ্য, অ্যাকোমোডেশন ও রেঁস্তোরা,আইটি ও বিপিও এবং ফিনান্সিয়াল সেক্টর উল্লেখযোগ্য।এই ক্ষেত্রগুলির শ্রমিকদের মধ্যে ৮৫শতাংশ নিয়মিত কাজ পেয়ে থাকে বলে সার্ভে রিপোর্টে উল্লেখ।উৎপাদন শিল্পের কর্ম সংস্থান বৃদ্ধির হার সবচেয়ে বেশি যা ভারতের অর্থনৈতিক ক্ষেত্রকে মজবুত করতে সাহায্য করবে। এই হারের পরিমাণ ৩৯%,যার পরেই ২২% হারে বৃদ্ধি নিয়ে রয়েছে শিক্ষা ক্ষেত্রে কর্মসংস্থানের হার।

প্রতিটি ক্ষেত্রেই কমপক্ষে দশ জন শ্রমিককে নিয়ে একটি করে ইউনিট করা হয়েছে বলে দেখা গিয়েছে।প্রায় প্রতিটি ক্ষেত্রই (৯৯.৪%)কোন না কোন মন্ত্রক দ্বারা স্বীকৃত প্রতিষ্ঠান রূপে কর্মরত।২৩.৫৫%ক্ষেত্রে দেখা গিয়েছে প্রতিষ্ঠান গুলি তাদের কর্মীদের উপযুক্ত কারিগরি প্রশিক্ষণ দিয়ে তবে নিযুক্ত করেছে। ৯টি সেক্টরের মধ্যে ৩৪.৮৭% স্বাস্থ্য ক্ষেত্র প্রশিক্ষণ দিয়ে এবং ৩১.১%আইটি ও বিপিও তে প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত হয়ে তবেই কর্মীরা কাজে যোগ দিয়েছেন।স্বাস্থ্যে কর্মসংস্থানের হার ১০.৪%,যেখানে বাণিজ্যে ৫.৩%,পরিবহণে ৪.২% কর্মসংস্থানের হার লক্ষ্য করা গিয়েছে।

কয়লা পরিবহণে ভারতীয় রেলের নয়া রেকর্ড, ১১১মিলিয়ন টন বেশি কয়লা পরিবহণ রেলের

ভারতের রেলওয়ে কয়লা পরিবহণের ক্ষেত্রে এক নতুন রেকর্ড সৃষ্টি করল এই আর্থিক বছরে। বিদ্যুতকেন্দ্রে কয়লা পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে রেলের মাধ্যমে পরিবহণের হার বৃদ্ধি পেয়েছে ২০.৪%। ২০২১-২২সালে এই পরিবহণের পরিমাণ ১১১কিলো টন বেড়েছে আগের তুলনায় । ৫৪২ মিলিয়ন টন থেকে কয়লা পরিবহণের পরিমাণ বর্তমানে দাঁড়িয়েছে ৬৫৩ মিলিযন টনে। সেপ্টেম্বর ২১ থেকে মার্চ ২২ এর মধ্যে বিদ্যুত সেক্টরে, মাত্র দুই কোয়ার্টারে ৩২%বৃদ্ধি পেয়েছে।


এপ্রিল ২০২২সাল থেকে ভারতীয় রেল প্রাধান্য দিয়েছিল বিদ্যুত সেক্টরে কয়লা পরিবহণে।প্রতি সপ্তাহে ১০%করে বৃদ্ধি করতে থেকেছে এই সেক্টরে।যার জন্য বিশেষ কিছু পদক্ষেপ করেছিল রেল ,যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল কয়লা ভর্তি করা ও নির্দিষ্ট স্থানে খালি পর্যন্ত বিশেষভাবে পর্যবেক্ষণ করার পদ্ধতি। যার ফলে দীর্ঘ পথ অতিক্রমের যে সময় তা ১২%-৩৬%কমানো সম্ভব হয়েছে।বহু দূরত্বের যে পথ সেই সব বিদ্যুতকেন্দ্রগুলিতে রেলের মাধ্যমে কয়লা পৌঁছানোর উদ্যোগী হয়েছে। ১লা এপ্রিল থেকে কয়লা পরিবহণকারী ট্রেনের সংখ্যা আগের থেকে ৭% বৃদ্ধি করেছে ভারতীয় রেল।আগের থেকে অনেক বেশি সংখ্যক কামরায় কয়লা ভরা হচ্ছে নিয়মিতভাবে। ভারতীয় রেল সর্বোতভাবে কয়লা সংস্থাগুলি থেকে বিদ্যুতকেন্দ্রগুলিতে দ্রুত পৌঁছাতে বদ্ধ পরিকর।

দেশে প্রথমবারের জন্য আয়ুষ বিভাগের বাণিজ্যে বিনিয়োগ টানতে গ্লোবাল আয়ুষ ইনভেস্টমেন্ট অ্যান্ড ইনোভেশন সামিটের দরবার বসেছে গান্ধীনগরে।

দেশে প্রথমবারের জন্য আয়ুষ বিভাগের বাণিজ্যে বিনিয়োগ টানতে গ্লোবাল আয়ুষ ইনভেস্টমেন্ট অ্যান্ড ইনোভেশন সামিটের দরবার বসেছে গান্ধীনগরে।এই সামিটে ১৪টি দেশের প্রতিনিধিরা অংশ নিয়েছেন । রয়েছেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান কর্তা ডঃ টেডরস।
দ্রুত হারে বাড়ছে এই দ্রব্যের ব্যবহার। ২০১৪ সালে এই সেক্টরে বিনিয়োগের পরিমাণ ছিল মাত্র ৩বিলিয়ন ডলারের কম ছিল, এখন তা ১৮বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে।

করোনার পর যেভাবে আয়ুর্বেদিক ওষুধ ব্যবহার করা হয়েছে, তাতে হলুদ রফতানি বিভিন্ন দেশে বেড়ে গিয়েছে।কারণ আয়ুর্বেদিক ওষুধের ব্যবহার বেড়েছে । তাই এই ক্ষেত্রে বিনিয়োগ করতে চাইছে বাইরের দেশ। এই ক্ষেত্রে বিনিয়োগের সুযোগ অসীম বলে তাঁর ভাষণে উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

আগামী ১৬ই এপ্রিল ২০২২ থেকে শুরু হতে চলছে ই সঞ্জীবনী টেলি কনসালটেশন (e-Sanjeevani Tele- consultation )। এর মাধ্যমে দেশব্যাপী আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পাধীন ১লক্ষ সেন্টারে প্রতিষ্ঠিত ডাক্তাদের পরামর্শ নিতে পারবেন জনগণ।সম্পূর্ণ বিনামূল্যে এই সুবিধে পাওয়া যাবে প্রতি সেন্টারে ।কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের তরফে এই সুবিধের কথা জানানো হয়েছে।

 

প্রধানমন্ত্রী কিষাণ সম্মান নিধি র তিন বছরের মাথায় ব্যাপকভাবে সফলতার দিকে কেন্দ্র। ইতিমধ্যেই ১১কোটি ৭৪লক্ষ কৃষক যাদের নিজস্ব জমি রয়েছে, সারা দেশে এমন সেই কৃষক পরিবারকে ৬০০০টাকা করে বার্ষিক প্রদান করেছে কেন্দ্র। এই প্রকল্পে ইতিমধ্যেই ১কোটি ৮২ লক্ষ টাকা অনুদান দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার যা কোভিডকালে কৃষকদের কাছে অত্যন্ত মূল্যবান। ৩১শে মে ২০২২সালের মধ্যে ই কে ওয়াই সির মাধ্যমে নিজেদের সম্পূর্ণ তথ্য জমা করে এই সুবিধে নেওয়ার জন্য আবেদন করেছে কেন্দ্রীয় কৃষি মন্ত্রক।

ভারত-অস্ট্রেলিয়ার মধ্যে দ্বিপাক্ষিক চুক্তি সাক্ষর,১০লক্ষ কর্মসংস্থানের লক্ষ্য পূরণ আগামী ৪-৫বছরে

আগামী দশ বছরের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যিক রূপরেখা তৈরির পথে চুক্তিবদ্ধ হল ইন্দো-অস্ট্রেলিয়া। যাতে আগামী দশ বছরের বিপুল প্রভাব পড়তে চলেছে ভারতীয় অর্থনীতিতে। ভারত ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যে সাক্ষরিত হওয়া যে বাণিজ্যিক চুক্তির নাম ইন্দো-অস্ট্রিলিয়া ইকোনমিক কোঅপারেশন অ্যান্ড ট্রেড এগ্রিমেন্ট (Ind Aus ECTA)। ভার্চুয়ালি এই চুক্তি সাক্ষরিত হওয়ার পর কেন্দ্রীয় মন্ত্রী পীযূশ গোয়েল জানান, এর ফলে ভারতে আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে দশ লক্ষ কর্মসংস্থান হতে পারে ।বাড়বে ভারতের সঙ্গে বাণিজ্যিক লেনদেনের পরিমাণ।

কর্মসংস্থানের পাশাপাশি কমপক্ষে ৬০০০সেক্টরে ৪৫-৫০বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বিনিয়োগ আসার উজ্জ্বল সম্ভাবনা জড়িয়ে রয়েছে ।ভারতের বাণিজ্যিক সম্বন্ধ যুক্ত দেশগুলির মধ্যে অস্ট্রেলিয়া অন্যতম যার সঙ্গে মার্চ ২০২২সাল অবধি বাণিজ্যিক লেনদেনের পরিমাণ ২০বিলিয়ন মার্কিন ডলার।এই চুক্তির ফলে ভারতে যে সকল কাঁচামাল আনা হোতো,তাতে বিপুল পরিমাণ ছাড় পাবেন আমদানীকারক ভারতীয় সংস্থা। যার মধ্যে ভেড়ার মাংস, উল, অ্যালুমিনিয়াম,কয়লা,ধাতব আকরিক অন্যতম।
এই চুক্তির পর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি মনত্বয করেন যে , এই চুক্তি দুই দেশের সম্পর্ককে বাঁচিয়ে রাখতে জলের কাজ করবে । উল্টোদিকে অস্ট্রেলিয় প্রেসিডেন্ট স্কট মরিসন বলেন,এই ট্রেড প্যাক্ট আমাদের দুই দেশের সম্পর্ককে আরও মজবুত করবে।

About Video Timeline Gallery Contact