Thumbnail 1
Thumbnail 1
Thumbnail 1
Thumbnail 1
Thumbnail 1
Thumbnail 1
Thumbnail 2
Thumbnail 2
Thumbnail 3
Thumbnail 4
Thumbnail 6
previous arrow
next arrow
Thumbnail 1
Thumbnail 1
Thumbnail 1
Thumbnail 1
Thumbnail 1
Thumbnail 1
Thumbnail 2
Thumbnail 2
Thumbnail 3
Thumbnail 4
Thumbnail 6
previous arrow
next arrow

➢ কে দিলীপ ঘোষ ?

দিলীপ ঘোষ একজন ভারতীয় রাজনীতিবিদ। তিনি মেদিনীপুর থেকে একজন লোকসভা সদস্য , সর্বভারতীয় সহ সভাপতি এবং পশ্চিমবঙ্গের ভারতীয় জনতা পার্টির সাবেক সভাপতি।দিলীপ ঘোষ পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার গোপীবল্লভপুরে জন্মগ্রহণ করেন। পিতা ভোলানাথ ঘোষের দ্বিতীয় সন্তান ছিলেন তিনি। মাধ্যমিক পাশ করার পর ঝাড়গ্রামে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং পড়তে যান। ২০১৭ সালে তাঁর শিক্ষাগত যোগ্যতাকে নিয়ে একটি মামলা করা হয় আদালতে। সেই মামলার শুনানি চলাকালীন নিজের শিক্ষাগত যোগ্যতার প্রমাণ হিসেবে কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনের কাছে দিলীপ ঘোষ যে শংসাপত্র জমা দেন, তার বৈধতা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন মামলাকারী। এরপর কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনের কাছে দিলীপ ঘোষের জমা দেওয়া সমস্ত তথ্য রিপোর্ট আকারে আদালতে পেশ করার নির্দেশ দেয় হাইকোর্টের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি বিশ্বনাথ সমাদ্দার ও বিচারপতি অরিন্দম মুখোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চ। নির্দেশ মোতাবেক এই সংক্রান্ত নথি প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন ডিভিশন বেঞ্চের কাছে জমা দেয় নির্বাচন কমিশন। নির্বাচন কমিশনের রিপোর্ট অনুযায়ী দেখা গিয়েছে, বিজেপি রাজ্য সভাপতি ঝাড়গ্রাম পলিটেকনিক কলেজ থেকেই স্নাতক স্তরে পাস করেছিলেন। সেই রিপোর্ট দেখার পরে মামলাটি খারিজ করে দেন ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ।[৬] ১৯৮৪ সালে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের সদস্য হন ও হিন্দুত্ববাদী রাজনীতিতে হাতেখড়ি হয় দিলীপ ঘোষে 

➢ দিলীপ দার বার্তা

গণতন্ত্র ও রাজ্যকে বাঁচাতে বিজেপির হাত শক্ত করুন

সুধী নাগরিক বৃন্দ,

রাজ্যে একের পর এক রাজনৈতিক ঘটনাক্রমের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছি আমরা। যার মধ্যে বিধানসভা নির্বাচন যদি গুরুত্বপূর্ণ হয়,তবে আসন্ন পৌর নির্বাচন অন্যতম বিশেষ রাজনৈতিক পরিস্থিতি। তৃতীয়বারের জন্য ক্ষমতায় আসার পর তৃণমূল কংগ্রেসের মুখোশ পুরোটাই খুলে পড়েছে ,যতদিন যাচ্ছে তা রাজ্যবাসীর কাছে আরও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। বিধানসভার নির্বাচনে বিপুল ভোটের জয়ী হয়েও তাদের রাজনৈতিক হিংসার প্রবণতা একটুও কমেনি,বরং তা উত্তোরতর বৃদ্ধি পেয়েছে। বিরোধী,বিশেষ করে বিজেপি কর্মীদের হাতে ও ভাতে মারার জন্য রাজ্যের প্রতিটি কোণাতেই চলছে ষড়যন্ত্র।নির্বাচনী প্রক্রিয়াতে প্রভাব খাটানো থেকে শুরু করে বিরোধী প্রার্থীদের ধমকে চমকে তাদের নির্বাচন প্রক্রিয়া থেকে দূরে রাখার চেষ্টা আসলে রাজ্যে বিজেপি শূন্য করাই তাদের উদ্দেশ্য। ভয় দেখিয়ে পঞ্চায়েত সদস্য,বিধায়কদের দল ভাঙিয়ে তৃণমূলে ঢোকানোর ঘৃণ্য় চক্রান্ত করা হচ্ছে। কথা না শুনলে তাদেরকে মেরে ঝুলিয়ে দেওয়া হচ্ছে ।আলিপুরদুয়ারের যুবক শুভ্রজ্যোতিকে প্রাণ হারাতে হয়েছিল তৃণমূলী হার্মাদদের হাতে শুধু বিজেপি করে বলে।বিধায়ক থেকে সাধারণ কর্মী নিস্তার পাননি কেউ।

আসন্ন যে পুরসভা নির্বাচন,তাতেও বিরোধীদের প্রচারে বাধা দেওয়া হচ্ছে ।ঠিক যেভাবে কলকাতায় বিজেপি প্রার্থীদের রাতের অন্ধকারে ভয় দেখিয়ে,অস্ত্র দেখিয়ে প্রচারে নামতে বাধা দিয়েছে তৃণমূলের গুণ্ডা বাহিনী। খাস কলকাতার বুকে নির্বাচনের দিনে বিজেপি মহিলা প্রার্থীর গায়ে হাত দেওয়া তার ব্লাউজ ছেঁড়ার মত ঘটনা বর্বরোচিত সমাজেই সম্ভব যা কী না তৃণমূল শাসিত। একই চিত্র কলকাতা লাগোয়া বিধাননগর নির্বাচনের ক্ষেত্রেও। রাতের অন্ধকারে বিজেপির পতাকা ছেঁড়ার কাজ চলছে।পুলিশ প্রশাসনের কাছে অভিযোগ জানিয়ে কোন লাভ নেই।কারণ তারা শাসকের দলদাসে পরিণত হয়েছে।বিরোধী শূন্য করার এই চক্রান্ত অত্যন্ত ঘৃণ্য ও গণতন্ত্রের পরিপন্থী।আমাকে অনেকেই বিজেপির সাংগঠনিক দুর্বলতার প্রশ্ন করেন ? তাদেরকে একটাই কথা বলতে চাই বিজেপি আগের থেকে শক্তিশালী হয়েছে তার প্রমাণ আমাদের ৭৭জন বিধায়ক বিধানসভায় গিয়েছেন। কিন্তু গণতান্ত্রিক পরিবেশ রক্ষার দায়িত্ব যাদের তারা যদি রোজ রোজ বিজেপির কর্মী নেতা এমনকি আমাকেও নিশানা করেন রাস্তায় নামলে,তবে বিজেপির সাংগঠনিক শক্তিশালী হওয়া কীভাবে চোখে দেখতে পাবেন আম আদমি।

রাজ্যে যে কোন নির্বাচন হওয়ার আগেই রাজ্যের আনাচে-কানাচে থেকে উদ্ধার হচ্ছে ঝুড়ি ঝুড়ি বোম।তৃণমূলী হার্মাদরা সেগুলির মাধ্যমে জোর করে ক্ষমতা দখলের লক্ষ্যে এগোচ্ছে।ভারত-বাংলাদেশের সীমান্ত লাগোয়া গ্রামগুলি অপরাধের আখড়া হয়ে উঠেছে। বাংলাদেশী অনুপ্রবেশকারীদের স্থানীয় শাসক দলের নেতারা মদত দিচ্ছে পাচার,মাদকের মত আন্তর্জাতিক অপরাধে। ভাগ-বাটোয়ারা করে চলে দিনের পর দিন মুক্তাঞ্চল হয়ে উঠেছে মালদহের কালিয়াচকের মত জায়গা। রাজ্যে জঙ্গীযোগের সন্ধান পেলেও তা নিয়ে মোটে হেলদোল নেই রাজ্যের পুলিশ ও গোয়েন্দাদের। বরং ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা চলতেই থাকে রাজ্য সরকারের তরফে। এহেন পরিস্থিতিতে রাজ্যবাসীর কাছে অনুরোধ সতর্ক থাকুন। বারুদের স্তূপে থাকা রাজ্যকে সামাল দিতে উদ্যোগী হতে হবে রাজ্যবাসীকেই।গণতান্ত্রিক পরিবেশ বাঁচাতে বিজেপির সঙ্গে সামিল হতে হবে। আসন্ন নির্বাচনে বিজেপি প্রার্থীদের জয়যুক্ত করে তৃণমূল স্তরের পরিষেবাকে সুনিশ্চিত করতে হবে প্রিয় নাগরিকবৃন্দ।

➢ এক ঝলকে দিলীপ ঘোষ

➦ লক্ষ্যে অবিচল দিলীপদা

লক্ষ্য় স্থির,দৃষ্টি নিবদ্ধ। মাছ ধরার সময়েও সমান একাগ্র চিত্ত। ঠিক যেমন গাছ থেকে ফল পারার সময়েও ছিল। বারবার গ্রামে ফিরে গিয়ে প্রকৃতির সঙ্গে মিলেমিশে তার নির্যাসটুকু নিঙড়ে নেন তিনি। খড়্গপুরের ওয়ালিপুরে পুকুরে মাছ ধরার অভিজ্ঞতাও সেইভাবেই তাড়িয়ে তাড়িয়ে উপভোগ করলেন সাংসদ দিলীপ দা।

➦ শীতের রাতে চা-এ তুফান

খড়্গপুরের ছোট টেংরা অঞ্চলে কম্বল বিতরণ অনুষ্ঠানের মধ্যেই একফাঁকে গরম চায়ে চুমুক। একদিন নয়,বারবার নিজের সাংসদ এলাকায় ফিরে গিয়ে, ঘুরে প্রান্তিক মানুষদের সঙ্গে কথা বলে তাদের সমস্যা বোঝার চেষ্টা করে চলেন এলাকার সাংসদ প্রিয় দিলীপ দা। শীতের রাতের আচ্ছাদনটুকুও নেই যাদের,কম্বল বিতরণে সেইসব মানুষের রাতের ঘুমকে নিশ্চিত করতে করতেই ভেবে নিলেন তাঁর পরবরর্তী সামাজিক উদ্যোগ,চায়ের পেয়ালার সঙ্গে।

➦ ভিনধর্মেও প্রগাঢ় ভক্তি

সব ধর্মের প্রতি সমানভাবে শ্রদ্ধাশীল জননেতা দিলীপ ঘোষ। শিখ সম্প্রদায়ের দশম গুরু, গুরু গোবিন্দ জির ৩৫৬তম আবির্ভাব দিবসে,সমাজে ন্যায় প্রতিষ্ঠার জন্য,জাতপাতের ভেদাভেদ দূর করতে তাঁর জীবনভর লড়াইকে সম্মান জানাতে প্রিয় নেতা দিলীপ ঘোষ হাজির হন রাসবিহারীর গুরুদ্বারার শ্রী গুরু সিং সভায়।ফুল চড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে সাষ্টাঙ্গে প্রণাম জানিয়ে এই মহাপ্রাণের প্রতি অন্তরের শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন তিনি।

➦ শুদ্ধতা ও পবিত্রতা রক্ষায় অবিচল 
‘ভব্য কাশী, দিব্য কাশী’-কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রী মোদিজি যখন কাশীর গঙ্গায় অবগাহন করছেন,তখন দেশ জুড়ে বিজেপি কার্যকর্তা ও নেতৃবৃন্দ নিজের এলাকাতে স্থিত মন্দিরের স্বচ্ছতা অভিযানে ব্যস্ত ছিলেন। বাদ যাননি ধর্মপ্রাণ দিলীপ ঘোষও। তারকেশ্বরে বাবার মন্দিরকেই বেছে নিয়েছিলেন এই কর্মসূচির জন্য। নিজে হাতে ঝাঁটা তুলে নিয়ে, বালতি বালতি জল ঢেলে তারকেশ্বর মন্দির প্রাঙ্গণ পরিষ্কার করতে উদ্যোগী হলেন সর্বভারতীয় এই নেতা

➦ প্রাতঃভ্রমণের ফাঁকে ব্যস্ত নেতার ‘অ-বলা’ প্রেম

গোমাতা’ হোক বা ‘সারমেয়’ বরাবরই নিজের হাতে তাদের খাওয়ার খাওয়ান আমাদের প্রিয় নেতা দিলীপদা,অতীতও যার সাক্ষী। কয়েকদিন আগেই দিলীপদা গিয়েছিলেন নদীয়ার মায়াপুরে। সেখানে গোশালা পরিদর্শনের সঙ্গে সঙ্গে নিজ হাতে গোমাতাকে খাওয়ানোর ছবিও সামনে এসেছিল। যা তাঁর পশুপ্রেমেরই দিক তুলে ধরেছে।

➢ কর্মসূচী

কর্মসূচী
  • তারিখ:২২শে মে ২০২২

    সময়: সকাল ৫.১৫মিনিট
    স্থান: ইকো পার্ক
    সূচি : প্রাতঃভ্রমণ

    সময় : সকাল ৮টা
    স্থান :স্বমাী বিবেকানন্দ আদি বাড়ি,গিরিশ পার্ক Swami Vivekanand Ancestral House, Girish Park
    সূচি : বাইক মিছিল

    সময়:বিকেল ৪.০০টা
    স্থান: রাজ্য বিজেপি মুখ্য কার্যালয়,৬নং মুরলিধর সেন লেন
    সূচি : সাংগঠনিক কাজ

➢ ভিডিও

➢ গ্যালারি

➢ কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী
শ্রী নরেন্দ্র দামোদরদাস মোদী

শ্রী জগত প্রকাশ নাড্ডা
মাননীয় সভাপতি

মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
শ্রী অমিত শাহ

➢ ফলো করুন

About Video Timeline Gallery Contact